গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জরুন এলাকায় জুলাই আন্দোলনে হৃদয় হত্যা মামলার আসামি ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা আল-আমিনের (২৮) বিরুদ্ধে পুনরায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও হুমকি-ধমকির অভিযোগ উঠেছে। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তার এসব অপতৎপরতায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর জুলাই আন্দোলনে হৃদয় হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন জেল খাটেন আল-আমিন। সম্প্রতি জামিনে বেরিয়ে আসার পর তিনি আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের উদ্দেশ্য করে অশ্রাব্য ভাষায় কটূক্তি ও প্রকাশ্যে জীবননাশের হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে পুনর্বার ত্রাস সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছেন।
অভিযোগ রয়েছে, এসব অপকর্ম ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনায় আল-আমিনকে সরাসরি উৎসাহ ও মদদ জোগাচ্ছেন তাঁর বাবা আলম খান (৬০)। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন বলে দাবি স্থানীয়দের।
কোনাবাড়ী থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের একাধিক নেতা জানান, আসামি আল-আমিনের প্রকাশ্য হুমকি ও তৎপরতার বিষয়টি ইতিমধ্যে পুলিশ প্রশাসনকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত আল-আমিনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ একাধিক অভিযোগ ও জিডি রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।